NU জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
জাতীয় বিশ্বঃ সাটিফিকেট (Nu Certificate) মার্কসীট (Marksheet) রেজি ও এডমিট ( Rege & Admit Card) কাড সংশোধন/ নাম সংশোধন।
-
Phone
+8801736092263
নাম সংশোধন সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নোত্তর
আমি কি সরাসরি সার্টিফিকেট / মার্কশীট সংশোধন করতে পারবো?
হ্যাঁ পারবেন কিন্তু তার আগে আপনার রেজিষ্ট্রেশন ও এডিমট কার্ডে যদি ভূল থাকে তাহলে আগে সেগুলো অবশ্যই সংশোধন করতে হবে। তা নাহলে সার্টিফিকেট বা নম্বরপত্র সংশোধন করা যাবে না।
আমি কি সরাসরি সার্টিফিকেট / মার্কশীট সংশোধন করতে পারবো?
হ্যাঁ পারবেন কিন্তু তার আগে আপনার রেজিষ্ট্রেশন ও এডিমট কার্ডে যদি ভূল থাকে তাহলে আগে সেগুলো অবশ্যই সংশোধন করতে হবে। তা নাহলে সার্টিফিকেট বা নম্বরপত্র সংশোধন করা যাবে না।
আমার সাময়িক সনদ / এডমিট কার্ড নেই কিংবা হারিয়ে গিয়েছে। আমি কি ট্রান্সক্রিপ্টের জন্য আবেদন করতে পারবো?
হ্যাঁ অবশ্যই পারবেন কিন্তু তার আগে আপনাকে সেগুলোর দ্বিনকল কপি তুলতে হবে। হেল্প এর জন্য আমাদের দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করুন। আমরা সমসময় আপনাদের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত।
রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করতে কত দিন সময় লাগে?
আক্ষরিক সংশোধনের ক্ষেত্রে 1-2 মাস এবং নাম সংযোজন বিয়োজন ও আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ৩-৪ মাস সময় লাগে।
সাধারণ নিয়মাবলি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি সার্টিফিকেট বা মার্কশীট সংশোধন করা যায় না। এজন্য প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন ও এডমিট কার্ড (Only Final Year) সংশোধন করতে হয়। রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংশোধনের পর এডমিট কার্ড, সাটিফিকেট ও নম্বরপত্র একসাথে সংশোধন করা যাবে। সবগুলো সংশোধনের পর রেজাল্ট প্যানেল (Online Result Panel) আলাদাভাবে সংশোধনের আবেদন করতে হবে। আপনার এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেট ভূল থাকলে আগে তা সংশোধন করতে হবে। মাস্টার্সের সাটিফিকেট সংশোধন করতে হলে আগে ডিগ্রী/অনার্সের সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হবে।
রেজিষ্ট্রেশন কার্ডে সংশোধন (নাম সংযোজন বিয়োজন)
ডীন বরাবর কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ আবেদনপত্র। আবেদনপত্র ডাউনলোড লিঙ্ক। SSC ও HSC সনদপত্রের ফটোকপি বোর্ড সংশোধনের চিঠি (যদি SSC ও HSC সংশোধিত হয়ে থাকে) মূল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড জাতীয় পরিচয়পত্র (যার নামের ভূল সংশোধন করতে হবে) মাস্টার্সের ক্ষেত্রে এফিডেভিট লাগবে সংশোধনের জন্য প্রায় 2-3 মাস সময় লাগে
রেজিষ্টেশন কার্ড আক্ষরিক ভূল সংশোধন
ডীন বরাবর কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ আবেদনপত্র। আবেদনপত্র ডাউনলোড লিঙ্ক। মূল রেজিষ্ট্রেশন কার্ড – SSC ও HSC সনদপত্রের ফটোকপি। বোর্ড সংশোধনের চিঠি (যদি SSC ও HSC সংশোধিত হয়ে থাকে) জাতীয় পরিচয়পত্র (যার নামের ভূল সংশোধন করতে হবে)। সংশোধন হতে 15 কর্মদিবস সময় লাগে।
নম্বরপত্র (Marksheet) সংশোধন
কলেজ অধ্যক্ষের সুপারিশসহ আবেদনপত্র। আবেদনপত্র ডাউনলোড লিঙ্ক। সংশোধিত রেজিষ্ট্রেশন কার্ড সংশোধিত এডমিট কার্ড (শুধুমাত্র শেষ বর্ষের) নম্বরপত্রের মূলকপি SSC ও HSC সনদপত্রের ফটোকপি বোর্ড সংশোধনের চিঠি (যদি SSC ও HSC সংশোধিত হয়ে থাকে) জাতীয় পরিচয়পত্র (যার নামের ভূল সংশোধন করতে হবে)। মাস্টাসের ক্ষেত্রে এফিডেভিট লাগবে সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তন করতে এফিডেভিট লাগবে
যোগাযোগ:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে যাবতীয় অনলাইন সেবা সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করুন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট/ডকুমেন্ট সংশোধন করার প্রক্রিয়া
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট/ডকুমেন্ট সংশোধন করার প্রক্রিয়া
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি, যা দেশের বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা বা অন্যান্য সার্টিফিকেট পেয়ে থাকেন। তবে কখনো কখনো শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বা শিক্ষাগত তথ্যের মধ্যে ভুল থাকতে পারে। যেমন: নামের বানান ভুল, পিতার নাম ভুল লেখা, রোল নম্বর বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুল থাকা ইত্যাদি। এই ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডকুমেন্ট সংশোধন বা অ্যামেন্ডমেন্ট (Certificate/Document Correction) করার সুযোগ দেয়।
১. সংশোধনের প্রয়োজন কেন হতে পারে?
ডকুমেন্ট সংশোধনের প্রয়োজন সাধারণত নিম্নলিখিত কারণে হতে পারে:
ব্যক্তিগত তথ্যের ভুল:
শিক্ষার্থীর নাম, জন্ম তারিখ, পিতার বা মাতার নাম ভুল লেখা থাকলে।
শিক্ষাগত তথ্যের ভুল:
কলেজের নাম, কোর্সের নাম, বিষয় বা গ্রেডে ভুল দেখা দিলে।
প্রবেশকালের তথ্য ভুল:
রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা পরীক্ষা বছরের তথ্যে ভুল থাকলে।
প্রকৃতির অন্যান্য সমস্যা:
যেসব ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী নথি হারিয়ে ফেলে বা নথিতে মুদ্রণের ত্রুটি থাকে।
সংশোধনের প্রক্রিয়া না হলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে চাকরি, উচ্চশিক্ষা, ভিসা আবেদন বা অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কাজের সময় সমস্যা সম্মুখীন হতে পারেন।
২. সংশোধন প্রক্রিয়ার ধাপ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডকুমেন্ট সংশোধন করার জন্য শিক্ষার্থীদের কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়। এই ধাপগুলো সাধারণত নিম্নরূপ:
ধাপ ১: সংশোধনের প্রয়োজন নির্ধারণ
প্রথমে শিক্ষার্থীকে বুঝতে হবে যে, কোন তথ্যটি ভুল রয়েছে এবং কোন ধরণের সংশোধন প্রয়োজন। ভুল তথ্যের ধরন অনুযায়ী সংশোধনের ফি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং সময়কাল নির্ধারণ করা হয়।
ধাপ ২: সংশোধনের জন্য আবেদন ফর্ম সংগ্রহ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে সংশোধন ফর্ম সংগ্রহ করতে হয়। ফর্মে সাধারণত নিম্নলিখিত তথ্য পূরণ করতে হয়:
শিক্ষার্থীর নাম
রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর
সংশোধনের প্রয়োজনীয় তথ্য
সংশোধন কারণ সংক্ষেপে উল্লেখ
ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্তি
সংশোধনের জন্য শিক্ষার্থীকে প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ:
জন্ম সনদ (Birth Certificate)
পিতার বা মাতার পরিচয়পত্র
কলেজের অফিসিয়াল সার্টিফিকেট বা শিক্ষাগত তথ্য
সংশোধন ফি জমা রশিদ (Fee Challan/Receipt)
মনে রাখতে হবে: সংশোধনের জন্য যে নথি দেওয়া হচ্ছে তা আসল এবং বৈধ হতে হবে। নকল নথি গ্রহণযোগ্য নয়।
ধাপ ৪: সংশোধন ফি প্রদান
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করে। ফি সাধারণত সংশোধনের ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
নাম বা তথ্য সংশোধন: ছোট ফি
রেজিস্ট্রেশন বা সার্টিফিকেট পুনঃপ্রকাশ: বড় ফি
ফি সাধারণত ব্যাংক ড্রাফট বা অনলাইন ট্রান্সফারের মাধ্যমে জমা দিতে হয়।
ধাপ ৫: সংশোধনের জন্য আবেদন জমা
প্রয়োজনীয় ফর্ম ও নথি প্রস্তুত হয়ে গেলে, শিক্ষার্থীকে আবেদন সংশ্লিষ্ট কলেজ অথবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের Examination/Controller of Examinations অফিসে জমা দিতে হবে।
ধাপ ৬: আবেদন যাচাই প্রক্রিয়া
অফিস সংশোধনের জন্য জমা দেওয়া নথি যাচাই করে। এটি সাধারণত কয়েকটি ধাপে হয়:
ডকুমেন্ট যাচাই: সকল প্রমাণপত্র সঠিক কিনা দেখা হয়
ফি যাচাই: সংশোধনের ফি ঠিকমতো জমা হয়েছে কিনা পরীক্ষা করা হয়
অনুমোদন প্রক্রিয়া: সংশোধনের আবেদন অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়
ধাপ ৭: সংশোধিত ডকুমেন্ট প্রাপ্তি
অনুমোদনের পর সংশোধিত সার্টিফিকেট বা ডকুমেন্ট শিক্ষার্থীকে প্রদান করা হয়। সাধারণত এটি ২–৪ সপ্তাহ সময় নিতে পারে, তবে ডকুমেন্টের ধরন এবং সংশোধনের জটিলতার ওপর নির্ভর করে সময় বৃদ্ধি পেতে পারে।
৩. সংশোধন প্রক্রিয়ায় সতর্কতা
সঠিকভাবে ডকুমেন্ট সংশোধনের জন্য শিক্ষার্থীদের কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়:
নথির সঠিকতা:
ভুল তথ্য উল্লেখ করলে আবারও সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।
আবেদন সময়সীমা:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংশোধনের আবেদন গ্রহণ করে।
ফি সংক্রান্ত সতর্কতা:
অনির্ধারিত মাধ্যমের মাধ্যমে ফি জমা দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
আসল নথি ব্যবহার:
শুধুমাত্র আসল নথি যাচাই হয়। ফটোকপি বা নকল নথি গ্রহণযোগ্য নয়।
সংশোধনের ধরন অনুযায়ী নিয়মাবলী:
কিছু তথ্য যেমন রোল নম্বর বা কোর্সের নাম পরিবর্তন করলে বড় ধরনের যাচাই প্রক্রিয়া থাকতে পারে।
৪. সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
সমস্যা ১: ফি জমা হওয়ার পরেও সংশোধন হয়নি
সমাধান: ব্যাংক স্লিপের কপি সহ কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় অফিসে যোগাযোগ করুন।
সমস্যা ২: ভুল তথ্য পুনরায় সংশোধন প্রয়োজন
সমাধান: পুনরায় সংশোধন আবেদন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ফি পুনরায় জমা দিতে হবে।
সমস্যা ৩: দীর্ঘ সময় লাগা
সমাধান: অফিসের নিয়মিত অনুসরণ এবং আবেদন ট্র্যাকিং করলে সমস্যা সমাধান সহজ হয়।
৫. অনলাইন প্রক্রিয়ার সুবিধা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কিছু ধরনের সংশোধন অনলাইনে করার সুবিধা দিয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে আবেদন করতে পারেন। অনলাইন আবেদন সুবিধার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক:
সময় ও ভ্রমণের খরচ কমানো যায়
ফর্ম ও নথি আপলোড করা যায়
আবেদন স্ট্যাটাস অনলাইনে দেখা যায়
তবে অনলাইনে সকল ধরনের সংশোধন সম্ভব নয়। বিশেষ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সরাসরি অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হয়।
৬. উপসংহার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট বা ডকুমেন্ট সংশোধন করা একটি সহজ কিন্তু সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। শিক্ষার্থীদের উচিত প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ সতর্কভাবে অনুসরণ করা, প্রয়োজনীয় নথি ঠিকমতো প্রস্তুত রাখা এবং ফি সঠিকভাবে জমা দেওয়া। সময়মতো সংশোধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে চাকরি, উচ্চশিক্ষা ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতায় সমস্যার সম্মুখীন হওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য সুবিধা নিশ্চিত করে এবং শিক্ষাগত নথি সঠিক রাখে। সুতরাং, সার্টিফিকেট বা ডকুমেন্টে ভুল থাকলে তা দ্রুত সংশোধনের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
