জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (National University) থেকে
মূল সনদ (Original Certificate), ট্রান্সক্রিপ্ট (Transcript), WES Form, Verify & Attested
Mohammad Abu Sayem, CEO

আপনি কি বিদেশে উন্নত পড়াশুনা বা কোনো চাকরীর জন্য আপনার সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট, নম্বরপত্র ইত্যাদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সত্যায়িত করাতে চাচ্ছেন? আপনি চাইলে ঘরে বসে কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি প্রসেসিং বুজতে না পারলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
Verify & Attestation সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নোত্তর:
মূল কপি Verify & Attestation করতে কত দিন সময় লাগে?
সাধারণত ১ দিনেই হয়ে যায়। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে ঐ দিনের দুপুর ১২:০০ টার মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে।
মূল কপি Verify এর ফি কি অনলাইনে দেয়া যাবে?
না। পেমেন্ট সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে দিতে হবে। পে-স্লিপ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের One Stop Service থেকে দেয়া হবে। হেল্প নিতে যোগাযোগ করুন
অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া আমার কাছে অনেক জটিল মনে হচ্ছে। আপনারা কি আমার Verify এর আবেদনটি করে দিতে পারবেন?
হ্যাঁ অবশ্যই,আমরা তো আপনাদের সেবাই নিয়োজিত। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনলাইন সার্ভিস ও আবেদন আমরাই নিখুঁত ও দ্রুততার সাথে দিয়ে থাকি। দয়া করে নিচের দেয়া নাম্বারে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।
ফটোকপি Verify/Attestation
অনলাইনে আবেদন করতে হবে যে কয় কপি Attestation করবেন তার সাথে এক কপি করে অতিরিক্ত ফটোকপি NU One Stop Service Center এ জমা দিতে হবে প্রতি কপির জন্য ফি 300/- টাকা পেমেন্ট অনলাইনে অথবা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে দিতে হবে।
যোগাযোগ:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে যাবতীয় অনলাইন সেবা সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করুন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ ভেরিফাই/সত্যায়ন সম্পর্কিত তথ্য
শিক্ষা হলো একজন মানুষের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। একজন শিক্ষার্থীর অর্জিত যোগ্যতা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদের সত্যতা প্রমাণ করার প্রক্রিয়াটিও
সমান গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হলো বৃহত্তম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সেবা প্রদান করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে প্রকাশিত সনদপত্র যেমন স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা বা অন্যান্য শিক্ষা সংক্রান্ত কাগজপত্রের বৈধতা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,
বিশেষ করে চাকুরি, উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ বা বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ ভেরিফাই বা সত্যায়ন মূলত নিশ্চিত করে যে, প্রদত্ত সনদটি প্রকৃতপক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জারি করা হয়েছে
এবং এতে প্রদত্ত তথ্য সঠিক। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতারণা প্রতিরোধ করা যায় এবং শিক্ষার্থীর যোগ্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়।
সনদ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা
১. চাকুরির ক্ষেত্রে:
সরকারি এবং বেসরকারি চাকরিতে আবেদন করার সময় প্রার্থীকে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ দেখাতে হয়। অনেক প্রতিষ্ঠান
কেবল সনদের সত্যায়নের মাধ্যমে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার নিশ্চয়তা গ্রহণ করে।
২. উচ্চশিক্ষার জন্য:
বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ বা বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নেওয়ার সময় সনদের সত্যায়ন অপরিহার্য। ভিসা প্রক্রিয়া, ভর্তি প্রক্রিয়া,
এবং বৃত্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে সনদের সত্যায়ন অনিবার্য।
৩. প্রাতিষ্ঠানিক প্রমাণপত্রের নিরাপত্তা:
অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে লেনদেন বা সরকারি কাজে শিক্ষাগত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সনদ ভেরিফিকেশনের জন্য বেশ কয়েকটি ধাপ নির্ধারণ করেছে। সাধারণত সনদ সত্যায়নের প্রক্রিয়া দুই ধরনের হতে পারে:
অনলাইন ভেরিফিকেশন এবং অফলাইন বা কাগজভিত্তিক ভেরিফিকেশন।
১. অনলাইন ভেরিফিকেশন
বর্তমান ডিজিটাল যুগে, শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজে তাদের সনদের বৈধতা যাচাই করতে পারে। এর জন্য ধাপগুলো হলো:
বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ ভেরিফিকেশন পোর্টাল-এ প্রবেশ করা।
প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন সনদ নম্বর, রোল নম্বর, পাশের বছর ইত্যাদি প্রদান করা।
তথ্য সাবমিট করলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য যাচাই করে ফলাফল প্রদান করে।
প্রয়োজনে এটি প্রিন্ট আউট হিসেবে সংরক্ষণ করা যায়।
অনলাইন সনদ ভেরিফিকেশন শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত এবং সুবিধাজনক। এটি শিক্ষার্থীর বা প্রতিষ্ঠানকেও সময় ও খরচ বাঁচায়।
২. অফলাইন বা কাগজভিত্তিক সত্যায়ন
অনলাইনের সুবিধা না থাকলে শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বা রেজিস্ট্রার অফিস-এ যোগাযোগ করতে পারেন। সাধারণ প্রক্রিয়া হলো:
প্রথমে শিক্ষার্থীকে একটি আবেদনপত্র পূরণ করতে হয়।
আবেদনপত্রে শিক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, শ্রেণি, পাসের বছর ইত্যাদি উল্লেখ করতে হয়।
প্রয়োজনীয় ফি জমা দিতে হয়।
অফিসে যাচাই শেষে সনদপত্র সত্যায়ন করা হয় এবং একটি অফিসিয়াল সনদভিত্তিক লিপি শিক্ষার্থীকে প্রদান করা হয়।
৩. নোটারি বা দূতাবাসের মাধ্যমে সত্যায়ন (বিদেশে প্রেরণের ক্ষেত্রে)
বিদেশে প্রেরণের জন্য সাধারণত সনদপত্রকে নোটারি বা দূতাবাসের মাধ্যমে সত্যায়ন করা হয়।
এই প্রক্রিয়ায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল সত্যায়িত কপি সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে বৈধ হয়।
সনদ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজনীয় তথ্য
সনদ ভেরিফাই করতে হলে নিম্নলিখিত তথ্য প্রয়োজন হতে পারে:
শিক্ষার্থীর নাম
রোল নম্বর
রেজিস্ট্রেশন নম্বর
পাসের সন
কোর্সের নাম
সনদ নম্বর
শিক্ষার্থীর করণীয়
১. প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা:
ভেরিফিকেশনের জন্য শিক্ষার্থীর হাতে থাকা সমস্ত সনদপত্র ও রেজিস্ট্রেশন তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে হবে।
২. সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা:
অনলাইন বা অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে সনদ যাচাই করা।
৩. ফলাফল যাচাই:
যদি কোনো তথ্যের সঙ্গে মিল না থাকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অফিসে অবিলম্বে যোগাযোগ করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর করণীয়
নিয়োগকর্তা বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীর সনদ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ভেরিফিকেশন সিস্টেমকেই গ্রহণ করবে।
এর ফলে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা যাচাই আরও নির্ভুল হয়।
সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
সনদ নম্বর ভুল বা অনুপস্থিত:
শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
সিস্টেম বা পোর্টাল সমস্যা:
কোনো অনলাইন ত্রুটি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ বা হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে।
অফলাইন চাহিদার ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময়:
অফলাইন সত্যায়ন সাধারণত কিছু সময় নেয়। দ্রুত প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষার্থীকে আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ ও প্রয়োজনীয় ফি প্রদান করতে হবে।
উপসংহার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ ভেরিফাই বা সত্যায়ন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
এটি শিক্ষার্থীর যোগ্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে অপরিহার্য এবং চাকুরি, উচ্চশিক্ষা ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয়।
আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অনলাইন ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি সহজ এবং দ্রুত। সঠিক তথ্য এবং অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করলে শিক্ষার্থীরা এই প্রক্রিয়া সহজভাবে সম্পন্ন করতে পারেন।
সনদ ভেরিফিকেশন কেবল শিক্ষার্থীর জন্য নয়, প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের জন্যও একটি নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষাগত তথ্য নিশ্চিত করে।
